১০ম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার বাংলা অংশের ব্যাখ্যাসহ প্রশ্ন সমাধান

১০ম বিসিএস প্রিলিমিনারি ব্যাখ্যাসহ প্রশ্ন সমাধান

সুপ্রিয় পাঠক, আসসালামু আলাইকুম। সবাই কেমন আছেন? আশা করি আপনারা সকলেই আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন। এই বিশ্ব প্রতিযোগিতার যুগে কার না ইচ্ছা থাকে যে একটা সরকারি চাকরি যোগাড় করে নিজের পরিবার পরিজন নিয়ে সুখে শান্তিতে বসবাস করতে। আমরা সকলেই মনে করি বর্তমানে একটা সরকারি চাকরি পাওয়া মানে সোনার হরিণ পাওয়া একই কথা। আমরা যে সরকারি চাকরি সব চাকরির আগে পছন্দ করি তার পেছনে কয়েক ডজন কারণ রয়েছে। তন্মধ্যে বাংলাদেশে জনসংখ্যার চেয়ে চাকরির বাজারে চাকরির সংখ্যা অত্যন্ত নগন্য। প্রত্যেক বছর যদি স্নাতক/ স্নাতকোত্তর পাশের শিক্ষার্থী এক লাখ বের হয় তাহলে চাকরির বাজারে চাকরির শূন্য পদের সংখ্যা এক হাজার থাকে কিনা সন্দেহ আছে। সরকারি চাকরি পছন্দের আর একটা গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো চাকরি হারাবার ভয় নেই বা ভবিষ্যতের জন্য সেরা নির্ভরশীলতা রয়েছে এই সরকারি চাকরিতে। এরকম হাজার হাজার কারণ রয়েছে সরকারি চাকরি পছন্দের পেছনে। আজ আমরা সেদিকে যাচ্ছিনা।

 

১০ম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার বাংলা অংশের ব্যাখ্যাসহ প্রশ্ন সমাধান
১০ম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার বাংলা অংশের ব্যাখ্যাসহ প্রশ্ন সমাধান

 

 

১০ম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ইংরেজি ও বাংলাদেশ বিষয়াবলীর বিস্তারিত সমাধান পেতে এই দুই পোস্ট পড়ে আসুন। 

১০ম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার বাংলা অংশের ব্যাখ্যাসহ প্রশ্ন সমাধান 10th bcs exam bangla question analysis

অভিনব কৌশলে ১০ম বিসিএস প্রিলি পরীক্ষার ইংরেজির প্রশ্ন সমাধান (ব্যাখ্যাসহ)

সেরা টেকনিকে ১০ম বিসিএস পরীক্ষার বাংলাদেশ বিষয়াবলী ব্যাখ্যাসহ সমাধান 

  

আপনাদের জন্য আজ থেকে ধারাবাহিক ভাবে বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা, ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি কর্তৃক ব্যাংকের সকল ধরণের নিয়োগ পরীক্ষা, পিএসসি ও অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষা, জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন গৃহীত সহকারী জজ নিয়োগ পরীক্ষা, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী ও প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা, বেসরকারি শিক্ষক প্রভাষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন পরীক্ষা, উপজেলা/ থানা শিক্ষা অফিসার ও সহকারী উপজেলা/ থানা শিক্ষা অফিসারের নিয়োগ পরীক্ষাসহ  অদ্যবধি যত চাকরির পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে, সেসব পরীক্ষার প্রশ্নের চুলছেড়া ও সুক্ষ্ণ বিশ্লেষণ ব্যাখ্যাসহ আলোচনার জন্য একটি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। আশা করি আপনারা সকলেই ধৈর্য্যের সাথে পোস্টগুলি ফলো করবেন। 

এরই ধারাবাহিকতায় আজ থাকছে ১০ম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার বাংলা অংশের ব্যাখ্যাসহ প্রশ্ন সমাধানের সহজ টেকনিক।

১০ম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার বাংলা অংশের প্রশ্ন

১০ম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার বাংলা অংশের ব্যাখ্যাসহ প্রশ্ন সমাধা

১০ম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার বাংলা অংশের বিস্তারিত আলোচনা শুরু হলো।

আপনারা পড়ছেন ১০ম বিসিএস প্রিলি পরীক্ষার বাংলা অংশের ব্যাখ্যাসহ প্রশ্ন সমাধান

০১। সম্রাট আকবর বাংলার নববর্ষ পহেলা বৈশাখ চালু করেছিল।

ব্যাখ্যাঃ সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে (তবে ১৫৫৬ সালে সিংহাসন আরোহণের সাল) খাজনা আদায় এবং শুল্ক পরিশোধের নিমিত্ত প্রথমে বাংলা “সন” এর পরে “বঙ্গাব্দ” এবং সবশেষে বাংলার নববর্ষ “পহেলা বৈশাখ” চালু করেছিলেন।

মনে রাখার উপায়ঃ আমরা এখানে বেশ কয়েকটি কিওয়ার্ড দেখতে পাচ্ছি। যেমনঃ সম্রাট আকবর, ১৫৮৪ সাল, খাজনা আদায়, বঙ্গাব্দ, পহেলা বৈশাখ ইত্যাদি।

আমরা এখন প্রশ্ন সাজাবো।

কে কত সালে কিসের জন্য পহেলা বৈশাখ চালু করেছিল?

উত্তরঃ সম্রাট আকবর ১৫৮৪ সালে খাজনা আদায় এবং শুল্ক পরিশোধের জন্য পহেলা বৈশাখ চালু করেছিল।

১০ম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ইংরেজি ও বাংলাদেশ বিষয়াবলীর বিস্তারিত সমাধান পেতে এই দুই পোস্ট পড়ে আসুন। 

অভিনব কৌশলে ১০ম বিসিএস প্রিলির পরীক্ষার ইংরেজির প্রশ্ন সমাধান (ব্যাখ্যাসহ)

সেরা টেকনিকে ১০ম বিসিএস পরীক্ষার বাংলাদেশ বিষয়াবলী ব্যাখ্যাসহ সমাধান

০২। নাসির উদ্দিন মুহাম্মদ হুমায়ুন বাংলার নাম দেন জান্নাতবাদ”।

ব্যাখ্যাঃ বাংলার অসীম অপরুপ মহিমা আর রুপ সৌন্দর্য, জাঁকজমকপূর্ণ ঐশ্বর্য এবং অঢেল প্রাচুর্যে বিমুগ্ধ আর ভালবাসায় মুঘল সাম্রাজ্যের (ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান এবং বাংলাদেশ) ২য় সম্রাট (১ম সম্রাট বাবর) হুমায়ুন (১৫০৮১৫৫৬) বাংলার নাম দেন ‘জান্নাতবাদ’।

মনে রাখার উপায়ঃ আমরা এখানে বেশ কয়েকটি কিওয়ার্ড দেখতে পাচ্ছি। যেমনঃ সম্রাট হুমায়ুন, জান্নাতাবাদ, সম্রাট বাবর, ১৫০৮-১৫৫৬ সাল ইত্যাদি।

আমরা এখানে চাকরির পরীক্ষায় আসার মত বেশ কয়েকটি প্রশ্ন পাচ্ছি এবং প্রশ্নগুলোর সব উত্তর দেখুন (মনে রাখার উপায় এবং ব্যাখ্যা প্যারাতে) যেমনঃ

ক) কে জান্নাতাবাদ নাম দেন?

খ) ১ম ও ২য় মুঘল সম্রাট কে?

গ) সম্রাট হুমায়ুনের জন্ম সাল কত?

ঘ) মুঘল সাম্রাজ্য কতটি দেশ নিয়ে প্রথমে গঠিত হয়েছিল?

০৩। ‘কবর’ নাটকের নাট্যকার মুনীর চৌধুরী। তবে “কবর” নামে পল্লী কবি জসিম উদ্দীনের একটি কবিতা রয়েছে যা তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে পড়াশুনা করতে রচনা করেছিলেন।  

ব্যাখ্যাঃ ১৯৫৩ সালে নাট্যকার মুনীর চৌধুরী ঢাকা কারাগারে বন্দী থাকাকালে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির উপর ভিত্তি করে ‘কবর’ (একুশের পটভূমিতে বাংলা সাহিত্যের প্রথম বাংলা নাটক) নাটক রচনা করেন যা রাজবন্দীদের দ্বারা অভিনীত ছিল।

Read More :   সহকারী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা নিয়োগ প্রশ্ন সমাধান

মনে রাখার উপায়ঃ আমরা এখানে বেশ কয়েকটি কিওয়ার্ড দেখতে পাচ্ছি। যেমনঃ “কবর” নাটক, “কবর’ কবিতা, নাট্যকার, মুনীর চৌধুরী, পল্লী কবি, জসিম উদ্দীন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলা বিভাগ, ১৯৫৩ সাল, একুশের পটভূমিতে প্রথম বাংলা নাটক, রাজবন্দী ইত্যাদি।

আমরা এখানে চাকরির পরীক্ষায় আসার মত বেশ কয়েকটি প্রশ্ন পাচ্ছি এবং প্রশ্নগুলোর সব উত্তর দেখুন (মনে রাখার উপায় এবং ব্যাখ্যা প্যারাতে) যেমনঃ

ক) “কবর” নাটক কে রচনা করেন?

খ) “কবর” কবিতা কে রচনা করেন?

গ) মুনীর চৌধুরীর পেশা কি ছিল?

ঘ) পল্লী কবির নাম কি?

ঙ) জসিম উদ্দীন বাংলা বিভাগে কোথায় পড়াশুনা করেন?

চ) জসিম উদ্দীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন বিভাগে পড়াশুনা করেন?

ছ) কত সালে মুনীর চৌধুরী কারাগারে বন্দী হন?

জ) একুশের পটভূমিতে প্রথম বাংলা নাটকের নাম কি?

ঝ) “কবর” নাটক কাদের দ্বারা অভিনীত ছিল?

১০ম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ইংরেজি ও বাংলাদেশ বিষয়াবলীর বিস্তারিত সমাধান পেতে এই দুই পোস্ট পড়ে আসুন। 

অভিনব কৌশলে ১০ম বিসিএস প্রিলির পরীক্ষার ইংরেজির প্রশ্ন সমাধান (ব্যাখ্যাসহ)

সেরা টেকনিকে ১০ম বিসিএস পরীক্ষার বাংলাদেশ বিষয়াবলী ব্যাখ্যাসহ সমাধান

০৪। প্রলয়োল্লাস হলো ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যের প্রথম কবিতা

ব্যাখ্যাঃ বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯-১৯৭৬) ১৯২২ (বাংলা ১৩২৯)   সালে তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ “অগ্নিবীণা” রচনা করেন। এ কাব্যগ্রন্থে মোট ১২ টি কবিতা রয়েছে। কবিতাগুলো হলোঃ “প্রলয়োল্লাস(১৯২২)”, “বিদ্রোহী (১৯২২ সালে বিজলী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত)”, “রক্তাম্বর-ধারিণী মা”, “আগমণী”, “ধূমকেতু”, “কামাল পাশা”, “আনোয়ার”, “রণভেরী”, “শাত-ইল-আরব”, “খেয়াপারের তরণী”, “কোরবানীমোহররম”। এ কাব্যগ্রন্থটি তাঁর প্রাণপ্রিয় শিষ্য বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে উৎসর্গ করেন। উল্লেখ্য যে, বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুলের মোট পাঁচটি গ্রন্থ ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ হয় এবং “অগ্নিবীণা”, “ফণিমনসা”, “সঞ্চিতা”, “সর্বহারা”, “রুদ্রমঙ্গল” বইগুলি ব্রিটিশ সরকারের কোপানলে পড়ে বাজেয়াপ্ত হবার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্তবাজেয়াপ্ত হয়নি।

মনে রাখার উপায়ঃ আমরা এখানে বেশ কয়েকটি কিওয়ার্ড দেখতে পাচ্ছি। (১৮৯৯-১৯৭৬), (বাংলা ১৩২৯), ১২ টি কবিতা, প্রলয়োল্লাস (১৯২২), বিদ্রোহী(১৯২২), বিজলী পত্রিকা, শিষ্য বারীন্দ্রকুমার ঘোষ, উৎসর্গ, পাঁচটি গ্রন্থ ইত্যাদি।

আমরা এখানে চাকরির পরীক্ষায় আসার মত বেশ কয়েকটি প্রশ্ন পাচ্ছি এবং প্রশ্নগুলোর সব উত্তর দেখুন (মনে রাখার উপায় এবং ব্যাখ্যা প্যারাতে) যেমনঃ

ক) অগ্নিবীণা কাব্যের প্রথম কবিতার নাম কি?

খ) প্রলয়োল্লাস কবিতা কত সালে প্রথম প্রকাশিত হয়?

গ) বিদ্রোহী কবিতা কত সালে প্রথম প্রকাশিত হয়?

ঘ) বিদ্রোহী কবিতা কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?

ঙ) কাজী নজরুল ইসলামের প্রধান শিষ্য কে ছিলেন?

চ) কাজী নজরুল ইসলাম কাকে অগ্নিবীণা কাব্য উৎসর্গ করেন?

ছ) কাজী নজরুল ইসলামের কতটি গ্রন্থ নিষিদ্ধ হয়?

জ) কাজী নজরুল ইসলাম কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?

ঝ) কাজী নজরুল ইসলাম কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?

ঞ) অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থটি বিজলী পত্রিকায় কত সালে প্রকাশিত হয়?

০৫। রাবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলায় টি.এস এলিয়টের কবিতার প্রথম অনুবাদক ছিলেন।

ব্যাখ্যাঃ Thomas Stearns Eliot (১৮৮৮-১৯৬৫) একজন ব্রিটিশ কবি ও নাট্যকার ছিলেন। জন্ম আমেরিকার টেক্সাসে হলেও ১৯২৭ সালে ব্রিটিশ নাগরিকক্ত্ব গ্রহণ করেন। টি এস এলিয়ট অনেক বিখ্যাত কবিতা রচনা করেন। তন্মধ্যে “The Waste Land” বিশ্ব বিখ্যাত। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি বিষ্ণু দে ১৯৫০ সালে টি এস এলিয়েটের কবিতা অনুবাদ করে বিখ্যাত হয়েছিলেনঅন্যদিকে বুদ্ধদেব বসুও এলিয়টের কবিতা নামে নামকরণ করে তাঁর কবিতা অনুবাদ করেছিলেন।

মনে রাখার উপায়ঃ আমরা এখানে বেশ কয়েকটি কিওয়ার্ড দেখতে পাচ্ছি। যেমনঃ (১৮৮৮-১৯৬৫), ১৯২৭, The Waste Land, এলিয়টের কবিতা ইত্যাদি।

আমরা এখানে চাকরির পরীক্ষায় আসার মত বেশ কয়েকটি প্রশ্ন পাচ্ছি এবং প্রশ্নগুলোর সব উত্তর দেখুন (মনে রাখার উপায় এবং ব্যাখ্যা প্যারাতে) যেমনঃ

ক) টি এস এলিয়টের নাগরিকত্ব কি?

খ) টি এস এলিয়ট কত সালে জন্মগ্রহণ ও মৃত্যুবরণ করেন?

গ) “The Waste Land” কে রচনা করেন?

ঘ) টি এস এলিয়ট কত সালে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন?

ঙ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পাশাপাশি কে টি এস এলিয়টের কবিতা অনুবাদ করেন?

চ) কবি বুদ্ধদেব বসু কি নামে নামকরণ করে টি এস এলিয়টের কবিতা অনুবাদ করতেন?

ছ) কত সালে কবি বিষ্ণু দে টি এস এলিয়টের কবিতা অনুবাদ করেন?

আপনারা পড়ছেন ১০ম বিসিএস পরীক্ষার বাংলা অংশের ব্যাখ্যাসহ প্রশ্ন সমাধান

০৬। সর্বপ্রথম ভাই গিরিশচন্দ্র সেন বাংলায় মহাগ্রন্থ আল কোরআনরীফের অনুবাদ করেন।

Read More :   ইসলামী ব্যাংক ফিল্ড অফিসার নিয়োগ প্রশ্ন ও সমাধান ২০২২ (১০০% নির্ভুল)

ব্যাখ্যাঃ ভাই গিরিশচন্দ্র সেন (১৮৩৪-১৯১০, নরসিংদী) ছিলেন অনুবাদক (মোট ১২ টি খন্ডে অনুবাদ করেন) ও বহুভাষাবিদ। তিনি ১৮৮১-১৮৮৬ সাল পর্যন্ত পবিত্র আল কোরআন এর অনুবাদ কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। এরপরে মৌলভী নঈমুদ্দীন ১৮৩৬ সালে পুর্ণাঙ্গ কুরআন বাংলা অনুবাদ এবং জলপাইগুড়ির জমিদার খান বাহাদুর রহিম বক্স খানের সাহায্যে ৭ম, ৮ম, ৯ম পারা পবিত্র কোরআন শরীফের বাংলা অনুবাদ করেন

মনে রাখার উপায়ঃ আমরা এখানে বেশ কয়েকটি কিওয়ার্ড দেখতে পাচ্ছি। যেমনঃ ভাই গিরিশচন্দ্র সেন, (১৮৩৪-১৯১০), নরসিংদী, ১২ টি খন্ড, (১৮৮১-১৮৮৬), ১৮৩৬, মৌলভী নঈমুদ্দীন ইত্যাদি।

আমরা এখানে চাকরির পরীক্ষায় আসার মত বেশ কয়েকটি প্রশ্ন পাচ্ছি এবং প্রশ্নগুলোর সব উত্তর দেখুন (মনে রাখার উপায় এবং ব্যাখ্যা প্যারাতে) যেমনঃ

ক) পবিত্র গ্রন্থ আল কোরআনের প্রথম বাংলা অনুবাদক কে?

খ) কত সালে ভাই গিরিশচন্দ্র সেন আল কোরআনের প্রথম বাংলা অনুবাদ করেন?

গ) ভাই গিরিশচন্দ্র সেন কতটি গ্রন্থ অনুবাদ করেন?

ঘ) ভাই গিরিশচন্দ্র সেন কত সালে এবং কোথায় জন্মগ্রহণ ও মৃত্যুবরণ করেন?

ঙ) মৌলভী নঈমুদ্দীন কে ছিলেন?

চ) মৌলভী নঈমুদ্দীন কত সালে আল কোরআনের বাংলা অনুবাদ করেন?

০৭। ব্যারিস্টার অমিত রায় এবং লাবণ্যের মধুর প্রেমের মিলনের সেরা গল্প অবলম্বনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচনা করেন তাঁর অন্যতম “শেষের কবিতা” রোমান্টিক উপন্যাসটি।

ব্যাখ্যাঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯২৭ সাল হতে ১৯২৮ সাল পর্যন্ত “শেষের কবিতা” উপন্যাসটি প্রকাশের কাজ করেন। ইহা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১০ম উপন্যাস। অসমাপ্ত ভালবাসার গল্প নামে খ্যাত “শেষের কবিতা” উপন্যাসটি যা “শেষ হয়েও হইল না শেষ” এই বিখ্যাত লাইনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে।

মনে রাখার উপায়ঃ আমরা এখানে বেশ কয়েকটি কিওয়ার্ড দেখতে পাচ্ছি। যেমনঃ অমিত রায়, লাবণ্য, ১৯২৭-১৯২৮, ১০ম উপন্যাস, “শেষ হয়েও হইল না শেষ” ইত্যাদি।

১০ম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ইংরেজি ও বাংলাদেশ বিষয়াবলীর বিস্তারিত সমাধান পেতে এই দুই পোস্ট পড়ে আসুন। 

অভিনব কৌশলে ১০ম বিসিএস প্রিলি পরীক্ষার ইংরেজির প্রশ্ন সমাধান (ব্যাখ্যাসহ)

সেরা টেকনিকে ১০ম বিসিএস পরীক্ষার বাংলাদেশ বিষয়াবলী ব্যাখ্যাসহ সমাধান

আমরা এখানে চাকরির পরীক্ষায় আসার মত বেশ কয়েকটি প্রশ্ন পাচ্ছি এবং প্রশ্নগুলোর সব উত্তর দেখুন (মনে রাখার উপায় এবং ব্যাখ্যা প্যারাতে) যেমনঃ

ক) “শেষের কবিতা” উপন্যাস কে রচনা করেন?

খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত সালে “শেষের কবিতা” উপন্যাস রচনা করেন?

গ) “শেষের কবিতা” রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কত তম উপন্যাস?

ঘ) “শেষের কবিতা” উপন্যাসের প্রধান চরিত্র কে?

ঙ) “শেষের কবিতা” উপন্যাসের নায়কের নাম কি?

চ) “শেষের কবিতা” উপন্যাসের নায়িকার নাম কি?

ছ) “শেষের কবিতা” উপন্যাসের শেষ লাইন কি?

০৮। আব্দুল গাফফার চৌধুরী “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারির রচনা করেন।

ব্যাখ্যাঃ এই গানটির মূল লেখক বা গীতিকার আব্দুল গাফফার চৌধুরী ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারিতে আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারির রচনা (মোট ১২ টি ভাষায় রচিত) করেন। এ গানের প্রথম সুরকার ছিলেন আব্দুল লতিফ ও সর্বজন গ্রহণযোগ্য সুরকার হলেন আলতাফ মাহমুদ। গানটি ১৯৫৩ সালে হাসান হাফিজুর রহমান এর সংকলনে প্রকাশিত “একুশে সংকলনে” একুশের গান হিসেবে প্রকাশিত হয়।   

মনে রাখার উপায়ঃ আমরা এখানে বেশ কয়েকটি কিওয়ার্ড দেখতে পাচ্ছি। যেমনঃ আব্দুল গাফফার চৌধুরী, ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি, ১২ টি ভাষা, প্রথম সুরকার, আব্দুল লতিফ, আলতাফ মাহমুদ, ১৯৫৩, একুশে সংকলন ইত্যাদি।

আপনারা পড়ছেন ১০ম বিসিএস প্রিলি পরীক্ষার বাংলা অংশের ব্যাখ্যাসহ প্রশ্ন সমাধান

আমরা এখানে চাকরির পরীক্ষায় আসার মত বেশ কয়েকটি প্রশ্ন পাচ্ছি এবং প্রশ্নগুলোর সব উত্তর দেখুন (মনে রাখার উপায় এবং ব্যাখ্যা প্যারাতে) যেমনঃ

ক) “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি” গানটি কে রচনা করেন?

খ) “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি” গানটির প্রথম সুরকার কে ছিলেন?

গ) “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি” গানটির জনপ্রিয় সুরকার কে ছিলেন?

ঘ) “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি” গানটি কতটি ভাষায় অনূদিত হয়?

ঙ) “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি” গানটি কত সালে রচিত হয়?

চ) “একুশে সংকলন” কে রচনা করেন?

ছ) হাসান হাফিজুর রহমান “একুশে সংকলন” কত সালে রচনা করেন?

উল্লেখ্য যে, ১০ম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় বাংলা সাহিত্য অংশ হতে মোট ০৮টি প্রশ্ন এসছিল

১০ম বিসিএস প্রিলি পরীক্ষার বাংলা অংশের ব্যাখ্যাসহ প্রশ্ন সমাধান

বিসিএস প্রিলিমিনারি বাংলা ব্যাকরণ

এ পর্যায়ে ব্যাকরণ অংশের বিস্তারিত সমাধান দিচ্ছি

০৯ নিমরাজিশব্দে বিদেশি শব্দের (ফারসি শব্দ) ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়

ব্যাখ্যাঃ নিমরাজি শব্দেনিমশব্দটি কম অর্থে ব্যবহৃত হয় ইহার অর্থ হলো সম্মতপ্রায়, আংশিক রাজি বা অর্ধসম্মত বিস্তারিতভাবে বলা যায়, কোন কাজে কারো সম্মতি কম তাইই হলোনিমরাজি নিমরাজিশব্দটি ফারসি ভাষার উপসর্গ তাইনিমরাজিশব্দটি ফারসি ভাষা হতে আগত হওয়ায় এটা বিদেশি ভাষার শব্দ ফারসি ভাষার ১১টি উপসর্গ হলোঃ

Read More :   ​সহজ পদ্ধতিতে ২০২১ সালের রেলপথ মন্ত্রণালয়ের কম্পিউটার অপারেটর পদের ব্যাখ্যাসহ প্রশ্ন সমাধান

কবিতার ছন্দে এক নজরে পড়ে নিন।

বদ, কার, খোশ, কম্, দর্,

না, নিম, ফি, , বে, বর।  

১০। ভুলঃ দুর্বলবশতঃ অনাথিনী বসে পড়ল

শুদ্ধঃ দুর্বলতাবশত অনাথা বসে পড়ল

ব্যাখ্যাঃ এখানে বানানগত ভুল লক্ষ্য করা যায়। এ প্রশ্নে দুইটি শব্দ যথাক্রমে “দুর্বলতাবশত” এবং “অনাথা” কে টার্গেট করতে হবে। এখানে “দুর্বলতাবশত” শব্দটি শুদ্ধ। “দুর্বলতাবশতঃ” শব্দটি শুদ্ধ নয়। আবার “অনাথা” শুদ্ধ শব্দ। কিন্তু “অনাথিনী” অশুদ্ধ শব্দ।

আপনারা পড়ছেন ১০ম বিসিএস প্রিলি পরীক্ষার বাংলা অংশের ব্যাখ্যাসহ প্রশ্ন সমাধান

১১। সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে অর্থের জন্য “উভয়কুল রক্ষা প্রবচনটি যথোপযুক্ত হয়েছে।

ব্যাখ্যাঃ উভয়কুল রক্ষা’ অর্থ দুই কুলই যেন রক্ষা পায় এমন কাজ করা। তাই এ অর্থে “সাপও মরবে, লাঠিও ভাংবেনা” বললে উভয়কুল রক্ষা প্রবচনটির সাথে মিলে যায়।

১২। ক্রিয়াপদের মূল অংশকে ধাতু বলে।

ব্যাখ্যাঃ আমরা যা করি, দেখি বা খাই ইত্যাদিই ক্রিয়াপদ। প্রত্যেক ক্রিয়াপদের একটি করে মূল অংশ বিরাজমান থাকে যাকে আমরা ক্রিয়ামূল বা ধাতু বলে থাকি। আবার ক্রিয়াপদকে বিশ্লেষণ করলে ধাতু বা ক্রিয়ামূল এবং ক্রিয়া প্রকৃতি অংশ পাওয়া যায়। যেমনঃ আমি কাজটি “করি”বাক্যটিতে করি শব্দটি একটি ক্রিয়াপদ। শব্দটিতে দুটি অংশ পাওয়া যায়, যেমনঃ “কর্‌” এবং “ই”। তাই “কর্‌” হলো ধাতু বা ক্রিয়াপদ এবং “ই” হলো বিভক্তি। “কর্‌” ক্রিয়ার সাথে বিভক্তি “ই” যুক্ত হয়ে “করি” ক্রিয়াপদটি গঠিত হয়েছে। ধাতু আবার তিন ধরণের পাওয়া যায়, যেমনঃ মৌলিক, সাধিত এবং যোগিক বা সংযোগমূলক ধাতু।

১০ম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ইংরেজি ও বাংলাদেশ বিষয়াবলীর বিস্তারিত সমাধান পেতে এই দুই পোস্ট পড়ে আসুন। 

অভিনব কৌশলে ১০ম বিসিএস প্রিলি পরীক্ষার ইংরেজির প্রশ্ন সমাধান (ব্যাখ্যাসহ)

সেরা টেকনিকে ১০ম বিসিএস পরীক্ষার বাংলাদেশ বিষয়াবলী ব্যাখ্যাসহ সমাধান

১৩। গুরুচন্ডালী দোষমুক্ত শব্দ হলো শবদহন, শবদাহ

ব্যাখ্যাঃ হিন্দু ধর্মে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্নের জন্য শবদাহ বা মৃত দেহ পোড়ানোর কাজ করা হয়। এখানে শব মানে মৃতদেহ, লাশ বা মড়া। আর দাহ মানে আগুন দিয়ে পোড়ানো।

 ১৪। ‘রত্নাকর’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো রত্ম + আকর

ব্যাখ্যাঃ অ- কার কিংবা আ-কারের পর অ-কার কিংবা আ-কার থাকলে উভয়ে মিলে আ-কার হয়। যেমনঃ আশা+ অতীত= আশাতীত (আ+অ), হিম+ অচল= হিমাচল (অ+অ), সদা+ আনন্দ= সদানন্দ (আ+আ) ইত্যাদি। যেমনঃ বিদ্যালয়, হিতাহিত, মহাশয়, মহার্ঘ, দেবালয়, হস্তান্তর, কারাগার, কথামৃত, যথার্থ, পাণাধিক ইত্যাদি উদাহরণ রয়েছে।   

১৫। পাকা পাকা আম দ্বিরুক্ত শব্দজুটি বহুবচন নির্দেশ করে।

ব্যাখ্যাঃ পাকা পাকা আম” এখানে “পাকা পাকা” দ্বারা অনেক আম নির্দেশ করা যা বহুবচন বুঝায়। আবার “পাকা পাকা” দ্বারা বিশেষণও নির্দেশ করতে পারে তবে শুধু আম শব্দটির পূর্বে “পাকা” থাকলে বিশেষণ নির্দেশ করত। আমরা জানি যে দ্বিরুক্তি শব্দ দুই ধরণের হয়। শব্দ ও পদের দ্বিরুক্তি। “পাকা পাকা আম” এখানে পদের দ্বিরুক্তি হয়েছে।

আপনারা পড়ছেন ১০ম বিসিএস প্রিলি পরীক্ষার বাংলা অংশের ব্যাখ্যাসহ প্রশ্ন সমাধান

১৬। “অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্টপ্রবচনটির অর্থ হলো যে কাজে বেশি মানুষের সমাগম হয় সে কাজ ভালভাবে করা যায় না।

১৭। তার (সংস্কৃত) থেকে উৎপন্নই হলো তদ্ভব শব্দ। তদ্ভব একটি পারিভাষিক শব্দ। প্রশ্নে চাঁদ শব্দটি তদ্ভব থেকে এসেছে। তদ্ভব শব্দ সাধারণত সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত হয়েছে। যেমনঃ চন্দ্র>চাঁদ, হস্ত>হত্থ> হাত, চর্মকার> চম্মআর> চামার ইত্যাদি।
১৮। “মুমূর্ষু” শব্দটি সঠিক। মনে রাখার উপায় হলো দুই পাশে হ্রস্ব উ এবং মাঝখানে দীর্ঘাঊ থাকবে।

১৯। “আনারসচাবি শব্দ দুইটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে এসেছে। পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত এমন আরো কয়েকটি শব্দ হলোঃ আনারস, আলমারি, আলপিন, আলকাতরা, ইস্পাত, ইস্ত্রি, ইংরেজ, কামরা, কেরানি, গির্জা, চাবি, জানালা, টুপি, পেরেক, পেঁপে, পেয়ারা, পাউরুটি, বোতাম, সাবান ইত্যাদি।

২০। একই শব্দের ভিন্নার্থে প্রয়োগের জন্য মাথা খাটিয়ে কাজ করবে বাক্যে মাথাশব্দটিবুদ্ধি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। এসব শব্দের ভিন ভিন্ন অর্থ রয়েছে। 

 আশা করি ১০ম বিসিএস প্রিলি পরীক্ষার বাংলা অংশের ব্যাখ্যা সহ প্রশ্ন সমাধান ব্যাখ্যাসহ উত্তর জেনে আপনারা অনেক খুশি হয়েছেন। পোস্টটি ভাল লেগে থাকলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে দিবেন।