দুদক কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ও উত্তর সমাধান pdf সহ

দুর্নীতি দমন কমিশন নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাস, বিগত সালের প্রশ্ন ও উত্তর ২০২১, ২০২০, ২০১৯, বর্তমানে ২০২২ সহ এবং দুদক নিয়োগ প্রস্তুতি এর জন্য বাংলা, ইংরেজি, গণিত, সাধারণ জ্ঞান এবং কম্পিউটার বিষয়ের সিলেবাস আলোচনা করছি। প্রিয় পাঠক আপনি যদি ইতিমধ্যে অনুসন্ধান করে থাকেন দুদক কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ও উত্তর সমাধান pdf সহ তবে একদম সঠিক জায়গায় এসেছেন। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক।

আপনারা ইতিমধ্যেই জেনে গেছেন যে ২০২২ সালে দুর্নীতি দমন কমিশন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। সার্কুলার দেখতে পারেন এখানে

[ads1]

এরই ধারাবাহিকতায় আপনাদের জন্য আজ এখানে দুদক নিয়োগ প্রস্তুতি এবং দুর্নীতি দমন কমিশন নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাস সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করেছি।

তবে দুর্নীতি দমন কমিশন এর দুদক নিয়োগ প্রস্তুতি এবং  দুর্নীতি দমন কমিশন নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাস সম্পর্কে আলোচনার পূর্বে এখানে দুর্নীতি দমন কমিশন এর কনস্টেবল পদ সম্পর্কে বিস্তারিত জানব।

দুদক কনস্টেবল এর কাজ কি

[ads1]

দুর্নীতি দমন কমিশনের মাঠ পর্যায়ে যে কাজ গুলো রয়েছে সেগুলো দুদক কনস্টেবলের মূল কাজ। তবে এক্ষেত্রে বলা যায় যে, নির্দিষ্ট কোন তদন্ত, নিদির্ষ্ট কোন ব্যক্তির উপরে তদন্ত কিংবা নিদির্ষ্ট অভিযোগের উপর তদন্ত এইসব তদন্তের একটি প্রাথমিক সেল থাকে। প্রাথমিকভাবে যে অভিযোগটি তৈরি করা হয়, সেটিই হচ্ছে একটি প্রাথমিক সেল। সেই সেলে প্রথম দিকে অভিযোগগুলো জমা হয়ে থাকে। তা এই অভিযোগগুলো তৈরি করতে অথবা সংগ্রহ করতে মাঠ পর্যায়ে কাজ করাই হলো দুদক কনস্টেবল এর কাজ। এছাড়াও দুদক কনস্টেবল কোর্ট পরিদশর্কের সাথে কাজ করে এবং সহকারী পরিচালক বা উপপরিচালকের সাথে কাজ করে থাকে।

Read More :   প্রাইমারী শিক্ষক নিয়ােগ পরীক্ষা - ২০২২ (বাংলা ব্যাকরণ স্পেশাল সাজেশন )

দুদক কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ও উত্তর

[ads1]

[ads1]

দুদক কনস্টেবল এর বেতন কত

[ads1]

দুদক কনস্টেবলের বেতন হলো মূল বেতন ৯,০০০/- টাকা যা ২০১৫ সালের বেতন স্কেল অনুযায়ী গ্রেড ১৭- ৯০০০/-২১,৮০০/-। ইহা হচ্ছে দুদক কনস্টেবলের মূল বেতন। তবে মূল বেতনের পাশাপাশি দুদক কনস্টেবল অন্যান্য ভাতা পেয়ে থাকেন। কেউ যদি দুদক কনস্টেবলে নতুন যোগদান করে থাকেন তাহলে দুদক কনস্টেবলের বেতন এবং ভাতা সব মিলে হবে ১৫,০০০ – ২০,০০০ টাকা।

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী নিয়োগ ২০২২ নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন বিশ্লেষণ

দুদক কনস্টেবল নিয়োগ যোগ্যতা

[ads1]

দুদক কনস্টেবল পদে আবেদন করতে হলে আপনাকে এইচএসসি পরিক্ষায় উওীর্ণ হতে হবে। আপনার ন্যূনতম যোগ্যতা হিসেবে এইচএসসি পরিক্ষায় উওীর্ণ হতে হবে। এছাড়াও আপনি যদি অনার্স পাশ করেন কিংবা অনার্সে পড়াশুনা করে থাকেন তাহলেও আপনি এই পদে আবেদন করতে পারবেন। তবে দুদকের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে দুদক কনস্টেবল যোগ্যতা হিসেবে নূনতম এইচএসসি পরিক্ষায় উওীর্ণ এর কথা বলা আছে। কারো যদি এইচএসির চেয়ে বেশি শিক্ষাগত যোগ্যতা থেকে থাকে তাহলে কো সমস্যা হবে না বরং আপনার জন্য এটি প্লাস পয়েন্ট হিসেবে কাজে দিবে।

দুদক কনস্টেবল পদে আবেদনের জন্য ন্যূনতম ১৮ বছর এবং সর্বোচ্চ ৩০ বছর বয়স হতে হবে।

দুদক পদে কনস্টেবল শারীরিক কি কি যোগ্যতা লাগবে

দুদক কনস্টেবল পুরুষ প্রাথী :

  • উচ্চতা : ১৬৮ সে. মি. অথবা ৫ ফুট ৫ ইঞ্চি।
  • ওজন : উচ্চতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
  • দৃষ্ঠিশক্তি : ৬/৬।

দুদক কনস্টেবল মহিলা প্রাথী :

  • উচ্চতা : ১৬১ সে মি. অথবা ৫ ফুট ২ ইঞ্চি।
  • উচ্চতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
  • দৃষ্ঠিশক্তি : ৬/৬।

দুদক কনস্টেবল এর সুযোগ সুবিধা

[ads1]

কনস্টেবল পদের সুযোগ সুবিধা অন্যান্য সরকারি চাকরির মতই, তবে যেহেতু এই পদের চাকরির সাথে পুলিশের চাকরির সম্পর্ক আছে তাই কনস্টেবল পদের দায়িত্ব ও কর্তব্য অনেক বেশি। ঝুঁকি ভাতা এবং রেশন সুবিধা দুদকের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য অন্যান্য সরকারি দপ্তরের মতো সরকারি চাকরির সুবিধার সাথে পাওয়া যায়। একজন দুদক কর্মকর্তা হিসেবে দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রমের পাশাপাশি আপনাকে সততা সমিতি, সততা স্টোর, দুর্নীতি সচেতনতামূলক রচনা প্রতিযোগিতা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, সভা, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, সেবা গ্রহণকারীদের সঙ্গে গণশুনানিসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনায় সক্রিয় থাকতে হবে। দুর্নীতি প্রতিরোধে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রদানকারীরা। এছাড়া বিভিন্ন দপ্তরের তদন্ত কাজ করতে গিয়ে সব প্রতিষ্ঠানের আইন-কানুন ও কাজ সম্পর্কে যেমন জানতে হবে, তেমনি অক্লান্ত পরিশ্রম করার মানসিকতাও থাকতে হবে। সব মিলিয়ে এসিসি আপনার জন্য দেশের জন্য কাজ করার অনেক সুযোগ খুলে দেবে। তাই আপনি এসিসিতে আপনার ক্যারিয়ার গড়তে পারেন জাতির সেবা করার সুযোগ এবং সম্মানজনক ক্যারিয়ার হিসেবে।

কনস্টেবলের পদের প্রমোশন হয় কি?

সরকারি অন্যান্য চাকরির মতো দুদক কনস্টেবল পদেরও প্রমোশন হয়ে থাকে। দুদক কনস্টেবল হিসেবে যোগদানের ৪ থেকে ৫ বছর চাকরি করার পরে আপনার কনস্টেবলের প্রমোশন হতে পারে। প্রমোশনের পর একজন কনস্টেবলের কোর্ট পরিদশক হিসেবে কাজ করার সুযোগ থাকে। তাহলে আমরা এক কথায় বলতে পারি যে, একজন চাকুরিজীবী দুদক কনস্টেবল পদে কয়েক বছর চাকরি করার পর সে কোর্ট পরিদশক পর্যন্ত হতে পারে।

Read More :   বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর জুনিয়র পরিসংখ্যান সহকারী পদের ব্যাখ্যাসহ প্রশ্ন সমাধান

পুলিশের মতো দুদক কনস্টেবলদের ট্রেনিং করতে হয় কি না?

দুর্নীতি দমন কমিশনের বা দুদকের কনস্টেবল পদের জন্য অবশ্যই ট্রেনিংয়ে অংশগ্রহণ করতে হয়। কনস্টেবল পদের ৪ মাস থেকে ৬ মাস পর্যন্ত ট্রেনিং করতে হয়।  ট্রেনিংয়ে সঠিক ভাবে অংশগ্রহণ করার পর ট্রেনিং সফলভাবে সম্পন্ন করার মাধ্যমে কনস্টেবল পদে স্থায়ীভাবে নিয়োগ করা হয়। এটা জেনে রাখা ভাল যে, শুধুমাত্র লিখিত পরীক্ষা এবং মৌখিক পরীক্ষার পাশাপাশি শারীরিক মাপে টিকে গেলে কনস্টেবল পদে চাকরি দেওয়া হয়।

দুদক কনস্টেবলদের অস্ত্র দেওয়া হয় কি?

হ্যাঁ, দুদক কনস্টেবলদের অস্ত্র দেওয়া হয়।

দুদক কনস্টেবলদের নির্দিষ্ট কোনো ড্রেস আছে কি?

হ্যাঁ, দুদক কনস্টেবলদের নির্দিষ্ট ড্রেস আছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাস এবং দুদক নিয়োগ প্রস্তুতি

[ads1]

দুদক কনস্টেবল লিখিত পরীক্ষা

দুদক কনস্টেবল লিখিত পরিক্ষাগুলো এমসিকিউ পদ্ধতিতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এমসিকিউ এর জন্য আপনারা যে বিষয় গুলো পড়বেন, সেগুলো হচ্ছে : বাংলা, ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান এবং গণিত। এ বিষয়গুলো পড়লে আপনাদের এমসিকিউ কমন পড়বে। সর্বমোট ১০০ নাম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। যেখানে লিখিত পরীক্ষার এমসিকিউ পরীক্ষায় থাকবে ৭০ নাম্বর এবং মৌখিক পরীক্ষায় থাকবে ৩০ নাম্বর, সর্ব মোট ১০০ নাম্বরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

লিখিত পরীক্ষার ৭০ নাম্বারের জন্য আপনারা পাবেন ৩০ মিনিট এবং যারা লিখিত পরীক্ষা থেকে উত্তীর্ণ হবেন আপনাদেরকে মৌখিক পরীক্ষার ঢাকা হবে।

Read More :   বাংলা সাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর pdf | বাংলা চাকরির প্রশ্ন | কুইজ প্রশ্নোত্তর

বাংলার জন্য দুদক নিয়োগ প্রস্তুতি

দুর্নীতি দমন কমিশন নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাস বাংলা বিষয়ের সিলেবাস আলোচনা করছি।

নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ

দুর্নীতি দমন কমিশন নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাস এর সবার প্রথমেই নবম দশম শ্রেণীর বাংলা ব্যাকরণ বইটি ভালোভাবে পড়তে হবে। বাজারে প্রচলিত দুদক নিয়োগ প্রস্তুতির জন্য অনেক বাংলা ব্যাকরণ বই রয়েছে। দুদক নিয়োগ প্রস্তুতির জন্য নবম দশম শ্রেণীর বাংলা ব্যাকরণ বই সবচেয়ে সেরা।

সাহিত্যের এই অংশে মধ্যযুগ সবচেয়ে গুরত্ব দিয়ে পড়বেন। এছাড়াও আলোচিত লেখকদের কে গুরত্ব পাশাপাশি যেকোন সাহিত্যের বই দেখতে পারেন। তবে মোহসীন নাজিলার বাংলা সাহিত্য এবং মফিজুল ইসলাম মিলন এর অগ্রদূত বাংলা বই পড়তে পারেন।

এককথায় বলতে গেলে বাংলার জন্য জর্জ এর MP3 ভালো করে পড়ুন এবং সহায়ক হিসেবে অগ্রদূত এর বাংলাটা
দেখতে পারেন।

Read More :   ১০ম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার বাংলা অংশের ব্যাখ্যাসহ প্রশ্ন সমাধান

দুদক নিয়োগ প্রস্তুতি | দুর্নীতি দমন কমিশন নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাস

গনিতের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাস

[ads1]

দুর্নীতি দমন কমিশন নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাস এবং দুদক নিয়োগ প্রস্তুতি এর জন্য গণিত বিষয়ের সিলেবাস আলোচনা করছি।

খাইরুলস বেসিক ম্যাথ বা বাজারে প্রচলিত যেকোন অ্যাডভান্স ম্যাথ বই এক সাথে পড়তে পারেন। এক্ষেত্রে একটু দেখে পড়বেন। সকল অধ্যায়ের ম্যাথ করার প্রয়োজন নেই, নির্দিষ্ট টপিক বাচাই করে করবেন।

মানসিক দক্ষতার জন্য খাইরুলস ব্যাসিক ম্যাথ বা জর্জ সিরিজের বই পড়বেন।
জেনে রাখা ভাল যে দুদক এর বিগত সালের পরীক্ষায় প্রিলিমিনারি তে গনিত ছিল, তাই গনিত এর প্রস্তুতি অবশ্যই নিবেন।

সংক্ষেপে বলতে গেলে গণিতের জন্য ফ্যাকাল্টি বেইজড যে কোন বই বা শাহীন
ম্যাথ বা খাইরুলস ম্যাথ পড়তে পারেন। গনিতে প্রশ্ন সহজ ছিল, অন্য বিষয়ের উপর গুরুত্ব বেশি দিন।

ইংরেজির জন্য দুদক নিয়োগ প্রস্তুতি

এখানে দুর্নীতি দমন কমিশন নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাস এবং দুদক নিয়োগ প্রস্তুতি এর জন্য ইংরেজি বিষয়ের সিলেবাস আলোচনা করছি।

দুর্নীতি দমন কমিশন নিয়োগ পরীক্ষায় ওয়ার্ড বেসড প্রশ্ন হয় এবং গ্রামার এর একটু জটিল নিয়মগুলোও এখানে আপনাকে দেখতে হবে। ইংরেজির জন্য English for Competitive Exams এবং master বই থেকে পড়তে পারেন।

তাই ওয়ার্ড ম্মার্ট এর জন্য টিউটর- কাবিয়াল নুর; মাস্টার- জাহাঙ্গীর আলম এই বইতে আপনি বেসিক থেকে এডভান্সড প্রস্তুতি নিতে পারবেন। আবার ইংরেজি সাহিত্যের জন্য গুরত্বপূর্ণ ২০ জন লেখক বাচাই করে পড়বেন।

Read More :   সাতটি কম্বাইন্ড ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার ব্যাংক প্রশ্ন সমাধান ব্যাখ্যাসহ

বিজ্ঞানের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাস

নিচে দুর্নীতি দমন কমিশন নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাস এবং দুদক নিয়োগ প্রস্তুতি এর জন্য সাধারণ বিজ্ঞান বিষয়ের সিলেবাস আলোচনা করছি।

বিজ্ঞানের জন্য বাজারের বইগুলো খুবই ভালো তাই নবম – দশম শ্রেণির বই পড়ার খুব একটা প্রয়োজন নেই। তাই প্রফেসরস বা ডা. জামিল বিজ্ঞান বই দেখতে পারেন।

বাংলাদেশ এবং আন্তর্জাতিক দুদক নিয়োগ প্রস্তুতি

নিম্নে দুর্নীতি দমন কমিশন নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাস এবং দুদক নিয়োগ প্রস্তুতি এর জন্য বাংলাদেশ এবং আন্তর্জাতিক বিষয়ের সিলেবাস আলোচনা করছি।

বিগত সালের বিসিএস এবং ব্যাংক সহ অন্যান্য পরীক্ষার প্রশ্ন ভালো করে সমাধান করুন ও সাম্প্রতিক কোন জব সলুশন ও পড়তে পারেন।

তাই দুই অংশের সকল বিষয় না পড়ে গুরত্বপূর্ণ টপিক ধরে পড়বেন। এজন্য জয়কলি বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিকের জন্য জর্জ সিরিজ, সংক্ষিপ্ত সাধারণ জ্ঞান – কনফিডেন্স (কেউ শর্টকাট পড়তে চাইলে এই বইটিও দেখতে পারেন) এবং সর্বশেষে সাম্প্রতিক এর জন্য রিসেন্ট ভিউ-নাইম হোসেন এবং আলাল জিকে বইগুলো পড়তে পারেন।

এককথায় বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী + চলতি ঘটনাবলী ও সাধারণ জ্ঞান – বেসিক ভিউ, রিসেন্ট ভিউ বা আলাস’স সাম্প্রতিক আওয়ার বা সালতামামি বা কারেন্ট এফেয়ার্স বই গুলো দেখতে পারেন।

Read More :   ২০১৯ সালের ৪০ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি টেস্ট বাংলা অংশের ব্যাখ্যাসহ সমাধান

কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি দুর্নীতি দমন কমিশন নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাস

এখানে দুর্নীতি দমন কমিশন নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাস এবং দুদক নিয়োগ প্রস্তুতি এর জন্য কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ের সিলেবাস আলোচনা করছি।

কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তির জন্য ইজি কম্পিউটার বা সেল্ফ সাজেশন্স যেকোন একটি বই সম্পূর্ণ পড়লেই হবে।
তবে কম্পিউটারের জন্য Self Suggestion “কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি” বইটি দেখতে পারেন, গত পরীক্ষায় হুবহু কমন ছিল এখান থেকে।

এক দৃষ্টিতে দুর্নীতি দমন কমিশন নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাস এবং দুদক নিয়োগ প্রস্তুতি

এখানে এক দৃষ্টিতে দুর্নীতি দমন কমিশন নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাস এবং দুদক নিয়োগ প্রস্তুতি এর জন্য বাংলা, ইংরেজি, গণিত, সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি) এবং কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ের সিলেবাস আলোচনা করছি।

  • সকল বিষয়ঃ প্রথমে দুদকের অনুষ্ঠিত অন্যান্য পদের পরীক্ষার প্রশ্ন সংগ্রহ করুন এতে অনেকটাই ধারণা পেয়ে যাবেন, রিটেনের জন্য (যদি এক্সাম হয়) রিসেন্ট তথ্যের উপর ফোকাস রাইটিং ও কম্পিউটারের উপর জোড় দিন বেশি।
  • বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিঃ বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলীর চলতি ঘটনাবলী ও সাধারণ জ্ঞান, বেসিক ভিউ, রিসেন্ট ভিউ বা আলাস’স সাম্প্রতিক আওয়ার ও যে কোন একটি ফোকাস রাইটিং পড়তে পারেন এতে অনেক ধারনা পাবেন । সাম্প্রতিক তথ্যের উপর গুরুত্ব দিন পত্রিকা থেকেও পড়তে পারেন।
  • কম্পিউটারঃ কম্পিউটার এর জন্য “Self Suggestion কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি” বইটি দেখতে পারেন দুদকের কম্পিউটারের উপর রিটেন (যদি এক্সাম হয়) জন্য আলাদা অধ্যায় রয়েছে। বইটির শেষে দুদকের জন্য কিছু ডেমো প্রশ্ন রয়েছে সেগুলো থেকেও একটা ধারণা পাবেন।
  • ইংরেজিঃ ইংরেজি রিটেনের অংশগুলো ভালো করে দেখে নিন। রিটেনের অংশ ভালভাবে দেখলে প্রিলিমিনারির জন্য অনেক কাজে লাগে। তাই এর জন্য ফোকাস রাইটিং এর যে কোন বই ও দেখতে পারেন।
  • বাংলাঃ বিগত সালের লিখিত প্রশ্ন গুলো ভালো করে দেখে নিন। প্যারাগ্রাফ, রচনা এর জন্য বাংলা ফোকাস রাইটিং অংশটি দেখে গেলে ভালো করবেন।
  • কম্পিউটারঃ কম্পিউটারের ব্যাবহারিক (যদি থাকে)- এর জন্য কি করবেনঃ কম্পিউটারের উপর ব্যাবহারিক পরীক্ষা এর জন্য মাইক্রোসফট এক্সেল, ওয়ার্ড, পাওয়ার পয়েন্ট, এক্সেস ও ইন্টারনেট ব্রাউজিং এর কথা বলা আছে। এমএস ওয়ার্ড এর টাইপিং বাংলায় ও ইংলিশে থাকতে পারে তাই ভালো করে অনুশীলন করুন, (অভ্র না বিজয়ে নিবে সেটা তাদের মর্জি)। এমএস এক্সেলে বেসিক ফাংশন এর কাজ জেনে যাবেন।
  • বিজ্ঞানঃ বিজ্ঞানের জন্য বাজারের বইগুলো খুবই ভালো তাই নবম – দশমের বই পড়ার খুব একটা প্রয়োজন নেই। প্রফেসরস বা ডা. জামিল বিজ্ঞান বই দেখতে পারেন।
Read More :   সরকারি চাকরি পেতে ১০০ টি কম্পিউটার প্রশ্ন ও উত্তর পড়ুন (৩য় পর্ব)

শেষকথা: দুর্নীতি দমন কমিশন নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাস এবং দুদক নিয়োগ প্রস্তুতি এর জন্য বিগত সালের প্রশ্ন সংবলিত যেকোন একটি বই আগে অবশ্যই নিবেন নয়তো প্রশ্ন সংগ্রহ করবেন। বাজারে ওরাকল টেকনিক সহ আরও অনেক দুদক নিয়োগের বই আছে এর যেকোন একটি বই থেকে শুধু প্রশ্ন ও উত্তর দেখে নিন। তারপর প্রস্তুতির পরিকল্পনা গ্রহণ করুন।